৪৫ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশকে ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে তুলে মিরাজ আফিফ।
৭ম উইকেট জুটিতে মিরাজ আফিফ করেন ১৭৪ রান। আফিফ অপরাজিত থাকেন ৯৩*(১১৫) রানে এবং মিরাজ অপরাজিত থাকেন ৮১*(১২০) রানে।
পাওয়ার প্লেতে রীতিমতো ধ্বঃসস্তূপে পরিণত হয়েছিল বাংলাদেশ দল। সেই ধ্বঃসস্তূপ থেকে লড়াই শুরু করে আফিফ হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজ। ৪৫ রানে ৬ উইকেট হারানো বাংলাদেশ জিতেছে দুই তরুণের অকুতোভয় পারফর্মেন্সে।
মেহেদী হাসান মিরাজ উইকেট না পেলেও ১০ ওভারে মাত্র ২ দশমিক ৮০ করে রান দিয়েছেন।
অন্যদিকে ব্যাটে ১২০ বলে ৮১ রান করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন মিরাজ। তবে আফিফের ১১৫ বলে ৯৩ রানের ইনিংস কম কিসে! দুইজনের এই অবিচ্ছেদ্য জুটি টাইগারদের দিয়েছে অবিশ্বাস্য জয়।
যখন বংলাদেশের ইতিহাসের সর্বনিম্ন (৫৮) রানের মধ্যে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়, তখনই গল্পটা ঘুরিয়ে ফেলেন মিরাজ আর আফিফ।
দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে ভেড়ান জয়ের নোঙরে। সেই ভীষণ চাপের সময় নেমে দুই তরুণ খেলছেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস।
দলকে লড়াইয়ে ফেরানোর পথে গড়েছেন সপ্তম উইকেটে বাংলাদেশের সেরা জুটি।
২০১৮ সালে মিরপুরে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের সঙ্গে ইমরুল কায়েসের ১২৭ ছিল সপ্তম উইকেটে আগের রেকর্ড জুটি।
দুজনের অবিচ্ছেদ্য ১৭৪ রানের জুটিতে ৪ উইকেট আর ৭ বল হাতে রেখে জয় পায় বাংলাদেশ দল।
ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম অর্ধশতকের স্বাদ পেয়েছেন আফিফ হোসেন। মিরাজ তুলে নিয়েছেন দ্বিতীয় অর্ধশতক।
শেষ পর্যন্ত ১১৫ বলে ১১ চার ও ১ ছয়ে আফিফ অপরাজিত থাকেন ৯৩ রানে। ৯টি চারের সাহায্যে ১২০ বলে ৮১ রানে অপরাজিত থাকেন মিরাজ। এই জয়ের ফলে আইসিসি সুপার লিগে আরো ১০টি পয়েন্ট যোগ হলো টাইগারদের দলের পাশে।
আফিফকে ধরা হয় আগামীর সাকিব, আর স্পিনার মিরাজের মধ্যে ভবিষ্যত অধিনায়ক খুঁজে পান অনেকেই। ওরা দুজন একসাথে জ্বলে ওঠায় পুড়লো আফগানদের কপাল। পাহাড়সম চাপ উতরে অনায়াসে ম্যচ জেতালেন।


